fbpx

প্রফেশনাল লাইফে কীভাবে সফলতা পাবেন? জেনে নিন সফলতার ৩ টি মূলমন্ত্র

প্রফেশনাল সফলতার মুল মন্ত্র হচ্ছে ভ্যালু এড করা।

কাস্টমারের লাইফে ভ্যালু এড করা।

একজন বিজনেস প্রফেশনাল পণ্য অথবা সেবা বিক্রি করে কাস্টমাদের লাইফে ভ্যালু এড করে থাকে।

আবার এই পণ্য এবং সেবা বিক্রি করার পুরো প্রসেসের জন্য তার বিভিন্ন স্কীলের প্রফেশনাল দরকার হয়।

এ প্রফেশনালদের কেউ হয়ত প্রোডাকশন এ কাজ করছেন, কেউ হয়ত মার্কেটিং, কেউ হয়ত সেলস আবার কেউ হয়ত কাস্টমার সাপোর্ট।

আবার এদের মধ্যে অনেকেই আছেন চুক্তি ভিত্তিক, আবার অনেকেই আছেন বেতন ভিত্তিক।

এবং এরা সবাই সেই বিজনেস/ব্র্যান্ড কে সার্ভ করছেন।

এখন এখানে যে প্রফেশনাল রয়েছেন তাদের যদি গ্রো করতে হয় তাহলে অবশ্যই তাদের ব্র্যান্ড এর ওভারঅল গোল এচিভ করতে হেল্প করতে হবে। ভ্যালু এড করতে হবে।

আবার সেই ব্র্যান্ড যদি গ্রো করতে চায় তাহলে তার সব প্রফেশনালদের স্কীল কে কানেক্ট করে কাস্টমারের লাইফে ভ্যালু এড করতে হবে।

তারমানে দিন শেষে ব্র্যান্ড কাস্টমারের লাইফে ভ্যালু এড করার চেষ্টা করছে।

সেই ব্র্যান্ড এর প্রফেশনালরা ব্র্যান্ড এর লাইফে ভ্যালু এড করার চেষ্টা করছে।

ইটস এ ভ্যালু এডিং গেম 🙂

এখন ভ্যালু এড করতে চাইলেই যে অনেক সহজেই এড করা যাবে তা কিন্তু না।

এর জন্য দরকার হবে সঠিক স্ট্র্যাটেজি, সঠিক প্রফেশনাল এবং আরো অনেক কিছুর সমন্বয়।

নিচে আমি কিছু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করছি।

১) কাস্টমার সম্পর্কে পরিপুর্ন ধারনা থাকতে হবেঃ

কাস্টমাদের সম্পর্কে পরিপুর্ন ধারনা না থাকলে তাদের লাইফে ভ্যালু এড করা যাবে না।

আর কাস্টমার সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারনা রাখতে হলে তাদের সাথে মিশতে হবে।

সার্ভে করতে হবে।

অবসার্ভ করতে হবে।

ভিন্ন ভিন্ন ভাবে এ/বি টেস্টিং করে দেখতে হবে কোনটা ভাল কাজ করছে।

এবং উইনিং অপশনটা পেয়ে গেলে সেটি নিয়ে স্ট্রাটেজি ডেভেলপ করে, একশন প্ল্যান রেডি করে ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে।

একটি উদাহরণ দেয়া যায়।

বাংলাদেশে আমরা সবাই কাচ্চি অথবা তেহারি খেতে পছন্দ করি।

এখন ধরেন, প্রচণ্ড গরম চলছে।

আপনার একজন কাস্টমার তৃষ্ণার্ত।

আপনি চিন্তা করলেন কাচ্চি তো সবারই পছন্দ।

তাহলে উনাকে অনেক গুলা কাচ্চি দেই। উনার লাইফে ভ্যালু এড হবে।

আসলে কিন্তু কাজ করবে না, কারণ উনি খুজতেসেন ঠাণ্ডা পানি/সফট ড্রিঙ্কস।

তারমানে কাস্টমার কি চাচ্ছে, তা না বুঝলে কখনই ভ্যালু এড করা সম্ভব হবে না।

২) সঠিক মানুষ – সঠিক সিট এনশিউর করতে হবেঃ

সঠিক মানুষকে সঠিক জায়গাতে কাজে লাগাতে হবে। আমরা প্রতিটা মানুষ কিন্তু আলাদা। সবার কিছু ভিন্ন ধরনের স্কীল আছে আবার কিছু দুর্বলতা আছে।

এই ডাটা গুলার উপর বেসড করে, একজন লিডারকে জানতে হয় কার এবিলিটি কোথায়। কার ভাল লাগা অথবা প্যাশন কোথায়।

তার উপর বেসড করে টিম তৈরি করতে হবে।

আবার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তো একটি গাড়ির মত।

এখানে অনেক কিছুর সমন্বয় লাগবে।

অন্যথায় এটি আগে বাড়বে না।

তাই একজন লিডারকে এটা এনশিউর করতে হবে যেখানে রিসোর্স লাগছে সেখানে আপনি রিসোর্স এলোকেট করছেন এবং একই সময় রাইট রিসোর্স এলোকেট করছেন।

৩) সঠিক এসওপি এবং মনিটরিং বাধ্যতামুলকঃ

সঠিক এসওপি থাকতে হবে এবং টাইমলি মনিটর করতে হবে। শুধু মাত্র স্কীল্ড প্রফেশনাল থাকলেই যে ভ্যালু এড হবে তা কিন্তু না।

আপনি ক্রিকেট অথবা ফুটবল ক্লাব গুলোকে দেখলে অনেক সময় খেয়াল করবেন কিছু দল থাকে, যেখানে সব ভালো ভালো প্লেয়ার থাকে। কিন্তু তারা প্রথম রাউন্ড এই বাদ পরে যায়।

এর কারণ হচ্ছে সঠিক প্লান, এসওপি, অথবা ফলোআপ এর অভাব।

প্রফেশনাল ভাবে স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করার পর আপনাকে মেকশিউর করতে হবে যে সবাই যার যার কাজ ঠিক ভাবে করছে।সঠিক ভাবে সব কিছুতে সমন্বয় আছে।

ক্লারিটি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

এরকম আরো অনেক ছোট ছোট যায়গাতে ভুল করার কারনে আমাদের প্রফেশনাল গ্রোথ আটকে যায়।

প্রফেশনাল লাইফ আসলে অনেক মজার।

আপনার শুধু সেই ফীল টা থাকতে হবে।

জার্নিটাকে উপভোগ করতে হবে।

মেইন থিমটা বুঝতে হবে।

এটি কন্টিনিউয়াস প্রসেস। এর কোন এন্ড নাই।

এটি আপস এন্ড ডাউন এর মধ্যে দিয়েই যায়।

এবং আপনাকে প্রতিদিন শিখার মধ্যে দিয়েই যেতে হবে যা আপনার লাইফে ভ্যালু এড করবে।

চাকরি ক্ষেত্রের প্রতিযোগিতায় আপনার প্রফেশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট জার্নি আরো সহজ করতে আমাকে ফলো করুন ফেসবুক এবং ইউটিউব এ।

শেয়ার করে আপনার ফ্রেন্ডের লাইফেও ভ্যালু এড করতে পারেন 🙂

রিলেটেড পোস্ট:

AI

আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সঃ ভবিষ্যত কর্মসংস্থানের জন্য আশীর্বাদ না অভিশাপ

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স! অনেকেই ভয় পাচ্ছেন, সম্ভবত আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স অনেক কর্ম সংস্থান নষ্ট করে দিবে। অনেক

Read More »
Scroll to Top