fbpx

কন্টেন্ট তৈরির সাত সতের – পর্ব ২

রাত তখন ১ টা বেজে ১৫ মিনিট। বাইরে বৃষ্টি পরছে, আমি কিছুটা স্ট্রেস নিয়ে কম্পিউটারে টুকটাক কাজ করছি। কিছু নতুন প্রজেক্ট দরকার। একটা নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ শুরু করেছি, তাই সেখানে ইনভেস্ট করতে হচ্ছে। এমন সময় হঠাৎ করে স্কাইপ থেকে নোটিফিকেশন আসলো। গত বছরে ইংল্যান্ডের এক কর্পোরেট ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করেছিলাম। তার মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান নক করেছেন।

Content

তিনি নতুন একটা প্রজেক্টে আমাকে কাজ করার জন্য বলছেন। তার সাথে কথা হল, একটু এনালাইসিস করলাম, কোটেশন দিলাম। এখন তার প্রজেক্টে কাজ করছি। এভাবেই অনেক সময় আমরা অনেক কিছুই পেয়ে যাই, যা হয়ত ভাবিনি। সাধারন স্ট্র্যাটেজির কথা বললে, ব্যাপারটা এমন হওয়ার কথা ছিল যে আমি নতুন ভাবে লিড কালেক্ট করার চেষ্টা করবো, অথবা পুরানো লিডকেই নার্চার করার চেষ্টা করবো, তারপরে গিয়ে প্রজেক্ট পাওয়া যাবে।

আবার অন্য ভাবে ভাবলে, হয়ত আমি আগের বার ভাল কাজ করেছিলাম তাই আমি নতুন কোন একশন না নিলেও প্রজেক্টটা পেয়ে গিয়েছি। তবে ঠিক এই মুহুর্তেই কেন? এই তর্কে গেলাম না।

এখন ধরা যাক, আপনি যেহেতু এখনও আমার লেখাটি পড়ছেন তার মানে আমি যে ঘটনাটার কথা বললাম তা আপনার ভাল লেগেছে। আপনার মতো আমারো এই ধরনের ঘটনা শুনতে ভাল লাগে। বাকিদের ক্ষেত্রেও হয়তো তাই হবে। আর এ কারনেই কন্টেন্টের শুরুটা কোন ঘটনা দিয়ে শুরু করলে অডিয়েন্সের মনযোগ আকর্ষণ করা যায়। উদাহরন হিসেবে নিচের ছবিটাও দেখতে পারেন।

Story

গল্পের ছলে ছলে আমরা যা পড়ি অথবা শুনি তা আমাদের মস্তিস্কে লম্বা সময় থাকে। আর একজন কন্টেন্ট মার্কেটার হিসেবে এটাই আমাদের স্ট্র্যাটেজি হওয়া উচিত। কিভাবে লম্বা সময় অডিয়েন্সকে ধরে রাখা যায়। আর এরকম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেকগুলো ক্রিয়েটিভ এপ্রোচের মাধ্যমেই আপনার এক সময়ের ছোট স্টার্টআপ সবার প্রিয় ব্র্যান্ড হবার পথে একটু একটু করে সামনে এগিয়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ ফেসবুক গ্রুপে কিভাবে প্রশ্ন করা উচিত?

আমার ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন আরো ছোট ছোট টিপ্স পেতে। আর কন্টেন্ট তৈরির গত পর্বের টিপ্স পেতে নিচের লিঙ্ক এ ভিজিট করতে পারেন।

কন্টেন্ট তৈরির সাত সতের – পর্ব ১