fbpx

কন্টেন্ট ডিজে – Content DJ

কন্টেন্ট ডিজে নিয়ে অনেকদিন ধরেই লিখবো লিখবো করছিলাম, কিন্ত লিখা হয়ে উঠছিল না। আপনারা অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন কন্টেন্ট ডিজে, এটা আবার কি জিনিশ! হ্যা, ওয়েবে কন্টেন্ট ডিজে বলেও কিছু একটা আছে।

আমরা প্রতিনিয়ত অন্যের কন্টেন্ট শেয়ার করে থাকি, এর মাধ্যমে আমাদের ক্রেডিবিলিটি বাড়ে। যার কন্টেন্ট শেয়ার করছি তারসাথেও সম্পর্ক তৈরি হবার একটা সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু আমি ব্যাক্তিগত ভাবে দেখেছি আমরা বেশির ভাগ সময় শুধু কন্টেন্টই শেয়ার করি। কন্টেন্ট সম্পর্কে নিজের মতামত দেই না ।

কন্টেন্ট ডিজে বলতে আমরা বুঝি,অন্যের কন্টেন্টকে কিছুটা পার্সনালাইজ করে বা মতামত যোগ করে শেয়ার করা। এর মানে কিন্তু এটা নয় যে আপনি তার কন্টেন্টকে নিজের বলে চালিয়ে দিবেন। যার কন্টেন্ট তাকেই ক্রেডিট দিতে হবে, কিন্তু আমরা এখানে আমাদের ব্যাক্তিগত মতামত, ইনফরমেশন যোগ করবো। অনেকটা মিউজিক ডিজে এর মতই, অন্য কোন গানের সাথে নিজের কিছু যোগ করা। এটাই হচ্ছে কন্টেন্ট ডিজে।

একটু বলে রাখা দরকার, শুধু অন্যের কন্টেন্ট নয়, আপনার নিজের কন্টেন্ট ও আপনি পুনরায় শেয়ার করতে পারেন।

কন্টেন্ট ডিজে থেকে আমরা কিভাবে উপকৃত হতে পারি?

আমাদেরসবসময় এমন কিছু করা উচিত যেখান থেকে স্কীল ডেভেলপমেন্টের সুযোগ থাকে। আমরা যখন অন্যের কন্টেন্ট শেয়ার করার সময় নিজের কিছু কথা যোগ করবো, তখন আমাদের লেখার অভ্যাস তৈরি হবে যা পরবর্তিতে আমাদের কন্টেন্ট তৈরিতে ভুমিকা রাখবে।

একটা উদাহরন দেই।

ধরেন আপনি আমার লিখা এই আর্টিকেল শেয়ার করবেন, যার টপিক হচ্ছে ‘শুরু করার জন্য শুধুশুরু করাটাই দরকার’।

এখন আপনি শেয়ার করার সময় আপনার নিজের মতামত যোগ করে শেয়ার করতে পারেন। মতামত / অভিজ্ঞতা কেমন হতে পারে।

“আমি এখন পর্যন্ত আমার নতুন প্রজেক্ট শুরু করতে পারিনি, কারন আমার কাছে সবসময় মনে হতো আমার পর্যাপ্ত রিসোর্সের অভাব আছে। আসলে আমি ভুল ছিলাম। অসাধারণ আর্টিকেল”

আবার আপনি আমার লিখার সাথে কিছু যায়গাতে দ্বিমত পোষণ করতে পারেন। যেমনঃ

“আমি আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না, আমরা অনেকসময় শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকি, কিন্তু পারিপার্শ্বিক অবস্থাটাও আসলে একটা ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। সবসময় সবকিছু অনুকুলে থাকে না…… চাইলে আরো কিছু এড করতেপারেন”।

এটা করলে লাভ কি?

প্রথমত, আপনি যখন কোন কিছু শেয়ার করেন, তখন আসলে আপনি চাইবেন যাতে আপনার শেয়ার করা কন্টেন্ট মানুষ পড়ুক। তাহলে এটা তাদের লাইফে ভ্যালু এড করবে। তারমানে আপনি শেয়ার করার কারনে আপনার ক্রেডিবেলিটি বাড়বে। আপনার নেটওয়ার্কে আপনার সাথে যারা কানেক্টেড, তারা আসলে আপনার মতামত জানতে চায়, আপনার অভিজ্ঞতা থেকে নিজে বেনেফিটেড হতে চায়। তাই আপনি কিছু এড করলে এটার ক্লিক থ্রু রেট (CTR) বাড়বে। মানে আপনার ক্রেডিবেলিটি বাড়বে।

এছাড়াও, এই ছোট একটা অভ্যাস আপনার লিখার স্কীল ডেভেলপ করতে সাহায্য করবে।

এখন একটা জিনিশ আমাদের মাথায় অবশ্যই রাখতে হবে। শুধু কন্টেন্ট কিউরেট করলেই কিন্তু হচ্ছে না।  আপনাকে নিজের কন্টেন্ট তৈরির দিকেও মনযোগ দিতে হবে। আমি অনেককেই দেখেছি, তারা শুধু কন্টেন্ট ডিজে হিসেবেই কাজ করে যায়, কিন্তু নিজের কন্টেন্ট তৈরি করে না। এর কারনে তার ক্রেডিবেলিটি একটা নির্দিষ্ট সময় পর আর বৃদ্ধি পায় না।

তাই কন্টেন্ট ডিজে হবার সাথে সাথে নিজের কন্টেন্ট তৈরি করা নিয়েও ভাবতে হবে।

কন্টেন্ট তৈরির কিছু ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম, দেখে নিতে পারেন।