CURVE Theory – ভাল টাইটেল তৈরি করার সহজ ফরমুলা

Curve Theory

আপনি প্রতিদিন কয়টা ইমেইল চেইক করে থাকেন? অথবা কয়টা ভিডিও দেখেন? অথবা কয়টা ব্লগ পোস্ট পড়েন।

উত্তরটা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমি জানি, আর তা হচ্ছে কোন নির্দিষ্ট নাম্বার নেই। কিছু কিছু কন্টেন্ট আপনি হয়ত খুজে খুজে পড়েন, আর কিছু বিভিন্ন সোশ্যাল ফিড গুলো থেকে। কিছু হয়ত সাবস্ক্রাইড করা ইমেইল গুলো থেকে।

কোন কন্টেন্টটাতে আপনি চোখ বুলাবেন আর কোনটাতে বুলাবেন না তার পেছনে একটা বড় ভুমিকা থাকে টাইটেল এর। টাইটেল যদি এট্রাকটিভ হয় তাহলে CTR বেড়ে যায়। তাই বলে আবার Clickbait প্রাকটিস করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। ভিজিটরের বিশ্বাস বজায় রেখে আপনার টপিক টাইটেল ডিসাইড করতে হবে। আপনি কোন ভাবেই আপনার ব্র্যান্ডের ফ্যান-ফলোয়াড়দের ঠকানোর চেষ্টা করতে পারেন না, তাদের কে বোকা বানানোর চেষ্টা করতে পারেন না। এতে আপনি ভিজিটর যতটুকু পাবেন তারচাইতে বেশি হাড়াবেন।

তাই আমাদের যে কোন ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করার সময় এর টাইটেল নিয়েও স্টাডি করতে হবে। AB টেস্টিং করতে হবে। আইডেন্টিফাই করতে হবে কোন ধরনের হেডলাইন বেশি এট্রাকটিভ হয়। বেশি CTR জেনারেট করে।

যেহেতু আমি সচরাচর আপনাদেরকে মজার মজার স্ট্র্যাটেজি এবং থিউরি এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই, তাই আজও তার ব্যাতিক্রম হচ্ছে না। আজকের থিউরি নিয়ে লিখার আগে, পুর্বের শেয়ার করা দুইটা থিউরি শেয়ার করছি, পড়ে না থাকলে পড়ে নিতে পারেন।

এছাড়াও আপনারা আমার ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন আরো স্পেসিফিক এবং ছোট ছোট কেরিয়ার চ্যাঞ্জিং ট্রিক্স পেতে।

যাই হোক, আজ আমি লিখবো CURVE থিউরি নিয়ে।

C= Curiosity:

প্রতিটা মানুষ অনেক বেশি কৌতুহল প্রবন হয়ে থাকে। সে জানতে চায় সামনে তার জন্য কি অপেক্ষা করছে! কি হতে যাচ্ছে! কেমন ভাবে হতে যাচ্ছে! এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে আমাদের সেশন শেষে অনেকের সাথে আমি কথা বলেছি। তাদের একটা বিরাট অংশ আসলে কৌতুহলের কারনেই পার্টিসিপেট করেছেন। তারা জানতে চেয়েছেন আমাজন নিশ সাইটের ভবিষ্যত কি? এটা কিভাবে কাজ করে?

আপনিও যদি নতুন হয়ে থাকেন এবং অনলাইন বিজনেসের সাথে কানেক্টেড হতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি অবশ্যই পড়ে নিবেন।

এছাড়াও যদি আপনার নিশ সাইট রিলেটেড কোন সাপোর্ট অথবা কনসাল্টেশন দরকার হয় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন

যেহেতু আমরা সবাই কৌতুহল প্রবন, তারমানে আমাদের টাইটেলের মধ্যে যদি কৌতুহল তৈরি করবে এমন কোন উপাদান থাকে, তাহলে আমরা বেশি CTR আশা করতে পারি।

উদাহরন দিয়ে সহজ করে দেয়ার চেষ্টা করছি।

  • এখানে সেই টিপস গুলো আছে, যা আপনাকে নিশ সাইট বিজনেসে সফলতা দিবে।
  • আপনি কি জানেন, কোন টুল গুলো আপনাকে সবচাইতে ভাল কিওয়ার্ড খুজে দিতে পারে?

উপরের টাইটেল গুলো যদি একটু ভাল করে লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন এরা আসলে কৌতুহল তৈরি করছে। কোন টিপস গুলো আসলে বিজনেসে সফলতা এনে দিবে? কোন টুলস গুলো আসলে কিওয়ার্ড রিসার্চে সাহায্য করবে?

আবার নিচে আরেকটি টাইটেল দিচ্ছি, এখানে প্রশ্ন করা হয়েছে।

“আপনি কি ডিজিটাল মার্কেটার হতে চান?”

কিন্তু এটা আপনাকে কৌতুহুলি করবে না, কেননা আপনি এর উত্তর জানেন। এটা হয়ত হ্যা, অথবা না। তাই টাইটেলটা যদি প্রশ্ন বোধক হয় তাহলে আমাদের উচিত ওপেন ইন্ডেড প্রশ্ন গুলো করা। যেইগুলার উত্তর হ্যা অথবা না তে সিমাবদ্ধ নয়।

U = Urgency:

ছাত্র জীবনের কথা চিন্তা করেন। পরীক্ষার আগের রাতে পড়ার কথা। যেই পরীক্ষাতে বন্ধ বেশি থাকতো, মনে করতাম এবার অনেক ভাল ভাবে প্রস্তুতি নেয়া যাবে, কিন্তু দিন শেষে সেই পরীক্ষার আগের রাতেই পরিশ্রম শুরু হত। সবার জন্য হয়ত ঘটনাটা এমন নয়, তবে বেশির ভাগের ক্ষেত্রেই ঘটনা মিলে যাবে। শেষের দিকে পড়ার পেছনে যেই জিনিশটা কাজ করতো, তা হচ্ছে ডেডলাইন, আরজেন্সি। আর সময় নেই, দ্রুত শেষ করতে হবে। বইটা খুলতেই হবে এখন।

একই কনসেপ্ট টাইটেল তৈরি করার সময় ও ব্যাবহার করা যায়। এই ধরনের টাইটেলের CTR বেশি হয়।

উদাহরন যদি দেই, ১০% ডিস্কাউন্ট শেষ হয়ে যাচ্ছে আজ রাত ১২ টায়

R = Relavency:

দেশের ১৬ কোটি মানুষ হয়ত আমার টারগেট অডীয়েন্স না। এর কোন একটা সেগমেন্ট হয়ত আমার টারগেট মার্কেট। তাই আমার কন্টেন্ট প্ল্যানিং করতে হবে তাদেরকে ঘিড়ে। আবার অন্যভাবে যদি বলি, আমার টারগেট মার্কেট কি চায়? তারা সেই ধরনের কন্টেন্ট চায় যেখানে তাদের ইন্টারেস্ট আছে। তাই আমার সফলতা নির্ভর করবে এই দুইটার মিশ্রন ঘটাতে পারলে।

আমার বিজনেসের টারগেট অডিয়েন্স কারা? কোন বয়সের? কোন জেন্ডার? তারা কি বিগেইনার প্রফেশনাল নাকি এক্সপার্ট লেভেল? দুই গ্রুপের জন্য আমার কন্টেন্ট প্লানিং দুই রকম হবে।

ধরে নিলাম আমার অডিয়েন্স হচ্ছে একদম বেসিক লেভেলের। এখন যদি আমি Pogo Sticking নিয়ে টাইটেল তৈরি করি, তাহলে হয়ত অনেকেই এখানে ইন্টারেস্ট ফিল করবে না। কিন্তু আমার টাইটেল যদি হয়, এসইও শুরু করার ১৩ টি ধাপ। দেখা যাবে আমার অডিয়েন্স এই কন্টেন্ট এর উপর বেশি ইন্টারেস্ট শো করবে।

V = Value:

একজন প্রফেশনাল অথবা ব্র্যান্ড আসলে তাদের কাস্টমারের সমস্যা সমাধান করে থাকে। অথবা তাদের গোল এচিভ করতে সাহায্য করে থাকে। আবার অন্য ভাবে বললে এভাবে বলতে হয় যে একজন কাস্টমার আমাদের কন্টেন্ট এই কারনে পড়ে যাতে সে এখান থেকে উপকৃত হয়। আমাদের কন্টেন্ট যাতে তাদের লাইফে ভ্যালু এড করে। তাই এই ধরনের টাইটেল আপনাকে সবসময় বেশি CTR পেতে সাহায্য করবে।

উদাহরনঃ
১০ টি টুল যা আপনার বিজনেসকে নতুন ধাপে নিয়ে যাবে।

এই কন্টেন্ট থেকে মনে হচ্ছে আমি কিছু টুল পেতে যাচ্ছি, যা আমার বিজনেসে ভ্যালু এড করবে। তাই একজনা মার্কেটার হিসেবে আমাদের এই বেপারটাকে মাথায় রেখে টাইটেল তৈরি করা উচিত, যাতে সে একটা ধারনা পায়, এক্সেক্ট কোন যায়গাটাতে তার লাইফে ভ্যালু এড হচ্ছে।

E = Emotion:

সব শেষে ইমোশন। আমরা সবাই আবগে প্রবন। বিজনেস হচ্ছে লজিক, ডাটা, ম্যাথমেটিক। কিন্তু এর পেছনে যারা থাকে তারা সবাই আবেগ প্রবন মানুষ। কেউ হয়ত অনেক বেশি মাত্রায় আবেগ প্রবন কেউ হয়ত একটু কম। তাই আপনার টাইটেলে যদি আবেগ থাকে আপনি বেশি মানুষকে এট্রাক্ট করতে পারবেন।

যেমনঃ কেন এখনকার ছোট ছোট বাচ্চারাও বেশি টেক নলেজ রাখে?

এই হেডিং টা যখন কোন সিনিয়র কেউ দেখে, তখন নিজের অজান্তেই অনেকে তুলনা করার বৃত্তে ঢুকে যায়। এটাও একটা ইমশনাল ট্রিগার।

এই CURVE থিউরিটা মুলত ইমেইল হ্যাডলাইন তৈরি করার ক্ষেত্রে বেশি ব্যাবহৃত হয়, কিন্তু এটা আসলে আমরা যে কোন ধরনের টাইটেল তৈরির ক্ষেত্রেই ব্যাবহার করতে পারি।

 

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here