fbpx

আমি কিভাবে একটি পেওনিয়ার কার্ড পেতে পারি?

আমি পেওনিয়ারে থাকা অবস্থাতে এবং এর পরেও দেখেছি অনেকেই এই ধরনের প্রশ্ন গুলো করেন। যেহেতু নিয়মিত ব্লগে লিখা লিখি করি, তাই ভাবলাম এই প্রশ্নের উত্তরটাও আপনাদের জন্য দেয়া যায় কিনা। প্রথমেই বলে নিচ্ছি এটি কোন অফিশিয়াল পোস্ট না, শুধু মাত্র আমার নলেজ বেসড থেকে লিখা। 

পেওনিয়ার কী?

পেওনিয়ার একটি ফিনটেক প্রতিষ্ঠান যা আপনাকে আপনার কাজের পেমেন্ট পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে নিজের দেশে নিয়ে আসতে হেল্প করবে। এখানে দুইটা জিনিষ মনে রাখতে হবে,

এক, কাজের পেমেন্ট
এবং দুই, অন্য দেশ থেকে।

পেওনিয়ার বিভিন্ন ভাবে আপনাকে বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের কাছ থেকে, মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা তোলার অপশন দিয়ে থাকে, আবার সে টাকা আপনি আপনার লোকাল ব্যাংক এ সরাসরি ট্রান্সফার, অথবা পেওনিয়ার কার্ড ব্যাবহার করে এটিএম থেকে তুলতে পারেন। এছাড়াও মাসটার কার্ড সাপোর্ট করে এরকম যেকোন যায়গাতে ব্যবহার করতে পারবেন, দেশে এবং দেশের বাইরে। 

পেওনিয়ার মাসটার কার্ড কিভাবে পেতে পারি? 

পেওনিয়ার মাসটার কার্ড পেতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি পেওনিয়ার একাউন্ট খুলতে হবে। যার স্টেপ বাই স্টেপ দিক নির্দেশনা এখানে দেয়া আছে 

একাউন্ট খোলার পর আপনাকে প্রথমে মার্কেটপ্লেস থেকে অথবা ডিরেক্ট ক্লায়েন্টের কাছ থেকে গ্লোবাল পেমেন্ট সলিউশন ব্যবহার করে মিনিমাম ১০০ ডলার পেমেন্ট রিসিভ করতে হবে প্রথমে। তারপরেই আপনি শুধু মাত্র এই কার্ড অর্ডার করার অপশন পাবেন। 

পেওনিয়ার কার্ড পেতে কতদিন লাগে?

মূলত এক সপ্তাহ থেকে ২ মাস পর্যন্ত লাগতে পারে। পেওনিয়ার মূলত ২ ভাবে কার্ড পাঠায়। 

১) রেগুলার মেইল 

২) ডিএইচএল 

রেগুলার মেইলে পাঠালে আপনার কোন চার্জ কাটবে না, কিন্তু অনেক সময় ২+ মাসের মত সময় লেগে যায়। 

আপনি চাইলে এই কার্ডটি ডিএইচএল এর মাধ্যমে আনতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে ৪০ ডলারের একটা ফী দিতে হবে। পেওনিয়ার কাস্টমার সাপোর্টে গিয়ে বললেই ওরা ডিএইচএল এ প্রসেস করে দিবে। 

পেওনিয়ার কার্ড কাদের জন্য নয়ঃ 

যদি আপনাদের দেশের বাইরে কোন ক্লায়েন্ট না থাকে, তাহলে এই কার্ড আপনার জন্য না। কেননা বাংলাদেশ থেকে কার্ড এ টাকা ভরার কোন সুযোগ নেই। আর পেওনিয়ার কাস্টমারের KYC এবং তাদের টার্মস এন্ড কন্ডিশনের বেপারে খুব স্ট্রিক্ট। যে কোন ধরনের ভায়োলেশন আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড করে দিবে। আর পেওনিয়ার যখন কোন একাউন্ট সাসপেন্ড করে তখন মূলত সেই একাউন্ট হোল্ডারকে সাসপেন্ড করে থাকে। যা আপনাকে আর কোনদিন কোন নতুন একাউন্ট খুলতে দিবে না। 

খুবই ছোট পোস্ট, কিন্তু একদম মুল পয়েন্টে লিখার চেষ্টা করেছি। আপনি চাইলে আমার ফেসবুক গ্রুপে জয়েন হতে পারেন

আর আমার এই ব্লগে যদি নতুন হয়ে থাকুন তাহলে আমার অন্যান্য পোস্ট গুলো পড়ুন।