fbpx

পেওনিয়ার বিলিং সার্ভিসঃ স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন

দেশের বাইরে কাজ করা যেমন চ্যালেঞ্জিং, তার চাইতেও বড় চ্যালেঞ্জ কাজের পেমেন্ট দেশে আনা। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প সলিউশন বের করতে পারলেও ছোট ও মাঝারি বিজনেসের জন্য ব্যাপারটা ততো সহজ নয়।

অনেকেই আছেন মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করছেন। বিভিন্ন ফোরাম থেকে কাজ ম্যানেজ করছেন। অথবা নিজেদের ফানেল আছে, যার মাধ্যমে ক্লায়েন্ট আসে।

তাই দেশের বাইরে থেকে ক্লায়েন্টদের পেমেন্ট নেয়ার প্রসেসটা সহজ করতে পেওনিয়ারের বিলিং সার্ভিস ব্যাবহার করতে পারেন। বিলিং সার্ভিস ব্যাবহার করে আপনি পৃথিবীর যে কোন দেশের ক্লায়েন্টকে (প্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডিভিডুয়াল) পেমেন্ট রিকোয়েস্ট সেন্ড করতে পারবেন। এবং ক্লায়েন্ট আপনাকে তার ক্রেডিট কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড থেকে পেমেন্ট করতে পারবে। আবার আমেরিকান ক্লায়েন্ট আপনাকে ই-চেকের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবে। আবার যে দেশ গুলোতে আমাদের রিসিভিং একাউন্ট আছে (গ্লোবাল পেমেন্ট সার্ভিস), সে দেশের ক্লায়েন্ট আপনাকে ব্যাংক ট্রান্সফার করেও পেমেন্ট দিতে পারবে।

আপনার যদি পেওনিয়ার একাউন্ট না থেকে থাকে, তাহলে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে একাউন্ট খুলে নিতে পারেন।

একাউন্ট কিভাবে খুলবেন এটা নিয়ে কনফিউজড থাকলে এই পোস্টটি পড়তে পারেন

কিভাবে বিলিং রিকোয়েস্ট পাঠাবেনঃ

প্রথমে মাই একাউন্টে লগিন করে রিসিভ অপশন থেকে ‘রিকোয়েসট এ পেমেন্ট’, এখানে ক্লিক করতে হবে।

তারপর আপনি একটি ফর্ম পাবেন, যেখানে আপনি যার কাছ থেকে পেমেন্ট নিবেন তাকে এড করতে পারবেন। এর আগে যদি কারো কাছ থেকে পেমেন্ট নিয়ে থাকেন তাহলে তার ডিটেইল নিচে দেখাবে, এবং লাস্ট কবে পেমেন্ট নিয়েছিলেন তার এমাউন্টও দেখাবে।

নতুন ক্লায়েন্ট হলে ‘এড নিউ পেয়ার’, এটাতে ক্লিক করুন।

এবার ক্লায়েন্টের বেসিক ডিটেইল দিতে হবে যেমনঃ নাম, ইমেইল, ওয়েবসাইট ইত্যাদি। ক্লায়েন্ট ইন্ডিভিডুয়াল হতে পারে, আবার প্রতিষ্ঠানও হতে পারে।

এবার পেমেন্ট রিলেটেড ডিটেইল দিতে হবে। আপনি বিলিং সার্ভিস ব্যাবহার করে এক ট্রান্সেকশনে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত রিসিভ করতে পারবেন। কোন সার্ভিসের জন্য পেমেন্ট নিচ্ছেন তা মেনশন করতে হবে ইন ডিটেইল।

তার পরের ধাপে আপনি Invoice এড করার অপশন পাবেন। আপনার Invoice আপলোড করতে পারবেন। এছাড়াও চাইলে freeinvoicebuilder.com থেকে ফ্রী ইনভয়েস তৈরি করতে পারবেন এবং তা ডাউনলোড করে এখানে এটাচ করতে পারবেন।

আপনি সব তথ্য দেয়ার পর চাইলে প্রিভিউ দেখতে পারেন, ক্লায়েন্ট কিভাবে রিকোয়েস্টটি পাবে, তাও দেখতে পারবেন। আবার দেয়া সব তথ্য ঠিক আছে কিনা তাও একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারবেন। তারপর সব কিছু ঠিক থাকলে রিকোয়েস্ট পেমেন্ট বাটনে ক্লিক করুন।

আপনার পেমেন্ট রিকোয়েস্ট চলে গিয়েছে। এছাড়াও আপনি এই পেইজ থেকে আপনার এই রিকোয়েস্টের লিঙ্ক কপি করতে পারেন, কপি করে চাইলে ক্লায়েন্টকে ম্যাসেঞ্জার, স্কাইপ, হোয়াটসএপ সহ বাকি চ্যানেল গুলোর মাধ্যমেও শেয়ার করতে পারেন।

লিঙ্ক কিভাবে কপি করবেন তা আমি নিচের স্ক্রীন শটে দেখিয়েছি।

এবার আপনার ক্লায়েন্ট ইমেইলের মাধ্যমে আপনার পেমেন্ট রিকোয়েস্টটি পাবে। অথবা আপনি যদি তার সাথে লিঙ্ক শেয়ার করেন তাহলে সেই লিঙ্ক এ ক্লিক করলেও পাবে। সেখানে ‘Pay Now’ নামে একটি অপশন থাকবে। ওটাতে ক্লিক করার পর সে তার দেশের জন্য আমাদের যে পেমেন্ট মেথড এভেলেবল আছে তা দেখাবে।

আমি দেখানোর জন্য ক্লায়েন্টের দেশ হিসেবে আমেরিকা সিলেক্ট করেছিলাম, এবং ধরন দিয়েছিলাম ‘প্রতিষ্ঠান’। আমেরিকান প্রতিষ্ঠান মূলত তিন ভাবে পেওনিয়ারের সলিউশন ব্যাবহার করে পেমেন্ট করতে পারে।

  • ব্যাংক ট্রান্সফার (গ্লোবাল পেমেন্ট সলিউশন)
  •  ই-চ্যেক
  • ক্রেডিট কার্ড

এবার ক্লায়েন্ট তার সুইটেবল অপশন সিলেক্ট করে পেমেন্ট করতে পারবে। প্রতিটির জন্য আলাদা ফী থাকে। ক্লায়েন্ট সেটা শুরুতেই দেখতে পারবে এবং সিলেক্ট করতে পারবে। এই ফী কে দিবে? ক্লায়েন্ট চাইলে নিজেও দিতে পারে, অথবা রিসিভারকেও দিতে বলতে পারে। নিচের স্ক্রীনশট গুলো দেখুন।

ক্লায়েন্ট তার প্রসেস সম্পন্ন করলে মূলত ৩-৫ ওয়ার্কিং ডে’র মধ্যেই পেমেন্ট আপনার একাউন্টে চলে আসবে। তবে কখনো কখনো এটা কোন কারনে আরো একটু বেশি সময় নিতে পারে। অনেক সময় পেওনিয়ার আপনার এবং আপনার ক্লায়েন্টের এডিশনাল ডিটেইল চাইতে পারে।

আপনি গ্লোবাল মার্কেটে কাজ করে থাকলে এবং পেমেন্ট সলিউশন নিয়ে কোন আলোচনা করতে চান, তাহলে আপনি আমার সাথে কথা বলতে পারেন। আমার এভেইলেবল টাইম দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন

পেওনিয়ার একাউন্ট খুলতে এখানে ক্লিক করুন

আমার ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে এখানে ক্লিক করুন