fbpx

কিভাবে একটি ব্লগ আপনার ব্যাবসার উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে

blogব্লগ শব্দটির সাথে যেই দুইটি শব্দ সব চাইতে বেশি মাথার মধ্যে আসে তা হচ্ছে এডসেন্স এবং এফিলিয়েশন। এর বাইরেও অনেকে ব্লগিং করে থাকে তার মনের কথা, চিন্তা ভাবনা, ধ্যান ধারনা সবার সাথে শেয়ার করার জন্য, আপনি এটাকে অনেকটা উন্মুক্ত ডায়েরি এর সাথে তুলনা করতে পারেন। কিন্তু এর বাইরেও আরো অনেক ধরনের ব্লগ রয়েছে, যেমন পার্সোনাল ব্লগ, কর্পোরেট অথবা কোম্পানী ব্লগ, রিভার্স ব্লগ ইত্যাদি। আজ আমার পোষ্ট মুলত কর্পোরেট অথবা কোম্পানি ব্লগ এর উপর।

আমি আজ আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের জন্য যে বিষয়ের উপর লিখব তা হল, কি কি উপায়ে আপনার কোম্পানীর ব্লগ আপনার কোম্পানীর প্রচারনা এবং উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে।

পর্দার অন্তরালে কে বা কারা

আপনার কোম্পানীর ওয়েব সাইট মানুষকে তাই দেখায় যা আপনি দেখাতে চান। অনেকটা সিনেমার মত। কিন্তু মানুষ সবসময় পিছনের দৃশ্যের প্রতি আগ্রহী থাকে, এখানেই তাদের সব কৌতুহল। একটু খেয়াল করে দেখুন, অনেক সিনেমার শেষ ভাগে এন জি শুটগুলো দেখায়, আমার বিশ্বাস আমার মতো আপনারাও সেই শুটগুলো খুব মজা নিয়ে দেখেন। কোন কোন ক্ষেত্রেতো মুল সিনেমার চাইতে এন জি শটগুলাই বেশি ভাল লাগে।

আরো একটা উদাহরন দেই। ধরুন একটি টাইটেল “ড্রপবক্স এর ১০ টি ভুল সিদ্ধান্ত”, আপনি এমন কিছুই দেখলেন আপনার ফেসবুক নিউস ফিড এ। আপনি কি এই আর্টিকেলটি পড়তে আগ্রহী হবেন? আপনি এবং আপনার মত আরো অনেকে যদি আগ্রহী হয় তাহলে এটি নিঃসন্দেহে খুব ভাল। যদি তাই হয় তাহলে ড্রপবক্স নিজেই এই টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারে। কিন্তু এই আর্টিকেলকে তারা কোথায় পোষ্ট করবে? এজন্যই তাদের দরকার একটা অফিসিয়াল ব্লগ। যেখানে তারা তাদের পিছনের অনেক দৃশ্যই আপনার জন্য তুলে ধরতে পারে যা তাদের প্রচারনাকে ভিন্ন মাত্রা প্রদান করবে।

সার্ভিস অথবা পন্য সম্পর্কে অতিরক্ত তথ্য প্রদান করা

এক এক জন মানুষের চিন্তা-ভাবনা, নিজে বোঝার এবং অন্যকে বোঝানোর ক্ষমতা এক এক রকম। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আপনার চেষ্টা থাকবে এমন কন্টেন্ট তৈরি করা যা থেকে সর্বাধিক মানুষ কে বুঝানো যায়। কিন্তু আপনি যখন আপনার সেল পেইজ তৈরি করবেন আপনার কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকবে। আপনি চাইলেও অনেক বেশি তথ্য দিতে পারবেন না, কারন তাতে আপনার কনভার্শন রেট কমে যেতে পারে। আবার অনেক কম তথ্য দিলেও সমস্যা। তাই আপনার যেটা করতে হবে সেইটা হচ্ছে একটা ব্যালেন্স সেল পেইজ তৈরি করা। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। কারন যারা আপনার পন্য কিনে ফেলেছে, অথবা আরও তথ্য চায় তাদের কে জবাব দেয়াটাও আপনার একটা মার্কেটিং একটিভিটি। তাই একটা ব্লগ হতে পারে আপনার চিন্তা মুক্ত সমাধান। আপনি এক একটি প্রশ্নের জন্য চাইলে এক একটি ব্লগ পোষ্ট লিখতে পারেন। চাইলে আপনার পন্য এর ব্যাবহার নিয়ে টিউটিরিয়াল প্রস্তুত করে আপনার ব্লগ এ পোষ্ট করতে পারেন।

একঘেয়ামি দূর করবে

bored

মানুষের জীবনে কিছু থাকুক আর না থাকুক টেনশন আছেই। মানুষ টেনশন কে ছাড়তে চাইলেও টেনশন মানুষ কে ছাড়তে চায় না। এর সাথে সাথে প্রফেশনাল পোষ্ট, প্রফেশনাল কার্যকলাপ এ মানুষের ভিতরে এক ধরনের একঘেয়েমি ভাব চলে আসে। আপনার কোম্পানির মার্কেটিং এর জন্য এটা খুবই বিপদ জনক। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন বাংলালিঙ্ক, গ্রামীন, রবি সহ অন্যান্য যত মোবাইল অপারেটর রয়েছে তারা কিছু দিন পরপর ই নতুন প্যাকেজ দেয়। শুধু তাই নয়, একটা প্যাকেজ এর প্রমোশন এর জন্যও তারা কয়েকটি বিজ্ঞাপন তৈরি করে। অথবা একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর নতুন বিজ্ঞাপন চিত্রায়িত করে। (উদাহরন সরুপ বাংলালিংক দেশ এর বিজ্ঞাপন গুলো মনে করতে পারেন)। এর একটা বড় কারন হচ্ছে প্রতিনিয়ত আলোচনাতে থাকা। এবং মানুষ যাতে একই বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে না যায়। ঠিক একই ভাবে আপনার যখন একটি ব্লগ থাকবে আপনার কোম্পানির জন্য তখন আপনার পক্ষ্যে একঘেয়েমি দূর করাটা অনেক সহজ হবে। তখন আপনি অনেক সহজে এবং অনেক ভাবেই নতুন নতুন পোষ্ট এর মাধ্যমে কিছুটা বৈচিত্র আনতে পারেন। আপনার সব পোষ্ট যে প্রমশোনাল ই হতে হবে, অথবা মুল বিষয়ের মধ্যেই হতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনার মুল উদ্যেশ্য হচ্ছে আপনার কাষ্টমার কে নতুন এবং ভাল কিছু দেয়া, যাতে তারা আপনার সাথে আরো বেশী সম্পৃক্ত হতে পারে।

মানুষ ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা জানতে চায়

আপনার কোম্পানি যত বড়, আপনার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রতি মানুষের আগ্রহ তত বেশি হবে। আপনি কিভাবে শুরু করলেন। কি কি প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিভাবেই বা তার সমাধান করলেন। এই ব্যাপার গুলোর প্রতি মানুষের অনেক আগ্রহ। তাই আপনি দেখবেন টিভি চ্যানেল এ তারকা কথন, অথবা এই ধরনের অনুষ্ঠান গুলোর ব্যাপক জনপ্রিয়তা। কারন এখানে ব্যাক্তিগত তত্থ্য জানার অনেক সুযোগ রয়েছে। ঠিক একই ব্যাপার ঘটে অনলাইন ব্যাবসার সাথে সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠির মধ্যেও। তারাও আপনার এবং আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চায়। তাই একটি ব্লগ হতে পারে এই কথা গুলো শেয়ার করার একটা কার্যকরী মাধ্যম। আর আপনার কথা গুলো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যত ছড়াবে, আপনার ব্যাবসার প্রসারতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও ততো বাড়বে। এটাও আপনার মার্কেটিং এর একটা অংশ হতে পারে।

উদাহরন সরুপ একটি ঘটনা বলি, বাংলাদেশ এ যে কয়জন অনলাইন মার্কেটার রয়েছেন, কাশেম ভাই তাদের মধ্যে একজন। যিনি একজন অনলাইন মার্কেটার এর সাথে সাথে একজন সফল ব্যবসায়ী। তাই উনার অনেক বেশি ফলোওয়ার রয়েছেন। আমি প্রথমেই বলেছি আপনার ব্যাবসা যত বড় আপনার প্রতি মানুষের আগ্রহ তত বেশি থাকবে। তাই কাশেম ভাই কি লিখেন, ফেসবুকে কি শেয়ার করেন তার প্রতি সবার আগ্রহ অনেক বেশি থাকে এবং অনেকেই তাকে ফলো করেন। কিছুদিন আগে আমি একটি পোষ্ট লিখেছিলাম এসইও ফ্রিল্যান্সার দের পরবর্তী সম্ভাব্য ৬ টি ক্ষেত্র। পোষ্টটি পাবলিশ করেছিলাম ০৮ মার্চ এবং সেদিনই আমি তা সোসায়াল মিডিয়া গুলোতে শেয়ার করি। সেদিন আমার ব্লগ এ ভিসিটর ছিল ১৯৮ জন, এবং তার পরের দিন তা কমে হয় ১২৫ এবং তার পরের দিন ৪৫ 🙁 । ১১ তারিখে কাশেম ভাই আমার ব্লগ পোষ্টটি তার ফেসবুক টাইমলাইন এ শেয়ার করেন এবং সেইদিন আমার পোষ্ট এ ভিসিটর ছিল ২৯৭ জন।  ধরে নেই এই ২৯৭ জনের মধ্যে ৩০% মানুষ আমার সাথে আগে থেকে পরিচিত নয়, অথবা তারা আমার লিখা আগে কখনো পড়ে নি। তার মানে সংখ্যাটা হতে পারে ৯০ জন। ধরে নিতে পারি এই ৯০ জনের মধ্যে যদি ৯ জন (১০%) আমার লিখা নিয়মিত পড়বে। আর যদি এটা আমার কর্পোরেট ব্লগ হত, আমি কি এখান থেকে কিছু ক্রেতা পেতাম না? তাই আপনি যখন কোম্পানি ব্লগ এ কোন নতুন পোষ্ট করবেন তখন আপনার ফলোয়ার যারা রয়েছেন তারা অবশ্যই খুব আগ্রহ এর সাথে সেই পোষ্টটিকে পড়বে এবং তা ছড়িয়ে দিবে। এবং এভাবেই আপনার ভিসিটর এবং ক্রেতার সংখ্যার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

একটি ব্লগ পরোক্ষ্য ভাবে আপনার ব্যাবসার প্রচারনা চালাতে পারে

যদিও এটা আমার কোম্পানির ব্লগ না, তারপরেও আপনি খেয়াল করে দেখবেন এই ব্লগ পোষ্ট এর অনেক যায়গাতেই হয়ত আমি আমাদের কোম্পানির কথা উল্যেখ করব। অর্থাৎ আমার এই ব্লগ পোষ্টগুলো কিছুটা হলেও আমাদের কোম্পানি (বিজকোপ) এর প্রচারনায় ভুমিকা রাখবে। কিন্তু কোম্পানির ব্লগ যেহেতু কোম্পানির ওয়েব সাইটেই হয় তাই এখানে হয়ত কোম্পানির নাম প্রচার করার প্রয়োজন নেই, কিন্তু আপনি আপনার সার্ভিস ঠিকই প্রচার করতে পারবেন। ধরে নিন আপনি একটি ই-কমার্স সাইট চালাচ্ছেন এবং আপনার পন্য হচ্ছে কম্পিউটার এবং মোবাইল একসেসরিস। এখন আপনি একটা পোষ্ট লিখলেন কিভাবে আপনি আপনার ডেস্কটপ কে তার ছাড়া ওয়াই ফাই টেকনোলজি এর মাধ্যমে ব্যাবহার করতে পারবেন। এখানে আপনি জানিয়ে দিলেন কিভাবে টিপি লিংক এর একটা ওয়াই ফাই রিসিভার দিয়ে আপনি আপনার ডেস্কটপ এ ওয়াইফাই টেকনোলজি ব্যাবহার করতে পারেন। ( 🙁 এফিলিয়েট লিঙ্ক এর ব্যাবস্থা নাই, নয়ত কিছু বিক্র হলেও হতে পারতো) এবং আপনি আপনার পোষ্ট এর মাধ্যমেই আপনার একটা প্রোডাক্ট এর কথা জানিয়ে দিলেন, এবং আপনি চাইলে সেই পোষ্ট থেকে সেই পন্যের পেইজ এ যাওয়ার একটা ব্যাবস্থাও করে দিতে পারেন। এভাবে ব্লগ এর মাধ্যমে আপনি নানা ভাবে আপনার পন্যের পরোক্ষ ভাবে প্রচারনা চালাতে পারবেন। যা অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ প্রচারনার চাইতেও বেশি কার্যকরি হয়ে থাকে।

ব্যাক্তিগত ছোয়া

আপনার ক্রেতা এবং আপনার মধ্যে একটা সুসম্পর্ক তৈরি করা আপনার ব্যাবসার জন্য অত্যাবশ্যক। আপনার ক্রেতার সাথে আপনার ব্যাবসায়িক সম্পর্ক যতো ভাল হবে আপনার ব্যাবসার জন্য এটা ততটাই মঙ্গলজনক হবে। ফেসবুক এবং গুগল প্লাস পেইজ এর জন্য সুসম্পর্ক স্থাপনটা তুলনা মুলক ভাবে সহজ। একটি ব্লগ আপনাকে এই সুসম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আমি প্রথমেই বলেছি যে মানুষ পর্দার অন্তরালে কি হচ্ছে সেই ব্যাপারে বেশি আগ্রহী থাকে। তাই সেই পিছনের মানুষগুলোই যখন সামনে এসে কোন একটি পোষ্ট লিখবে তখন স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ বেশি আগ্রহী হবে তা পড়ার জন্য এবং তাতে সম্পৃক্ত হবার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

একটি উধাহরণ দেইঃ

আমরা যারা এসইও নিয়ে কাজ করি তারা সবাই কম বেশি মজ এর ব্লগ পোষ্ট পরে থাকি, এবং মজ এর প্রাক্তন প্রধান নির্বাহি রেন্ড ফিসকিন এর হোয়াইট বোর্ড ফ্রাইডের ভিডিও দেখি এবং অন্যান্য ব্লগ পোষ্ট পড়ে থাকি। আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা ওনার একনিষ্ঠ ভক্ত। এখন আপনি যদি একটু ভাবেন রেন্ড ফিসকিন বলেছেন কো সাইটেশন হচ্ছে পরবর্তি সময় এর লিংক বিল্ডিং, তারমানে এটাই ঠিক। আপনার এক বন্ধু এসইও তে আগ্রহি। আপনি তাকে বললেন রেন্ড ফিসকিন কে অনুসরন করতে এবং তার লিখা পোষ্ট গুলো পড়তে। আপনার বন্ধু তখন থেকে তার লিখা পোষ্টগুলা পড়া শুরু করলো, সে এখন নিয়মিত মজ এর একজন পাঠক।  এবার একটু চিন্তা করুন। আপনি কিন্তু তাকে বলেন নি যে মজ এর ব্লগ পোষ্ট পড়তে। তারমানে রেন্ড ফিসকিন এমন একটা ইমেজ তৈরি করতে পেরেছে যে আমরা এখন তাকে এই জন্য পছন্দ করি না যে সে মজ এর প্রাক্তন প্রধান নির্বাহি। বরং আমরা অনেকেই এভাবে চিন্তা করি রেন্ড ফিসকিন এর মজ। তারমানে ব্লগিং এর কারনে এখন আমরা তাকে অনেক বেশি অনুসরণ করি, এবং মজ এর কারনে ওনার যে পরিমান ভ্যালু বেড়েছিল, এখন তার কারনে মজ এর সেই পরিমার ক্রেতা বাড়ছে। আমরা যদি ধরি রেন্ড ফিসকিন এর ব্লগিং এবং হোয়াট বোর্ড ফ্রাইডে এর জন্য যদি প্রতি দিন ১০০ জন নতুন ফলোয়ার বৃদ্ধি পায়, এবং কনভারশন রেট যদি ১% ধরি তাহলে প্রতিদিন মজ এর ১ জন করে ক্রেতা বৃদ্ধি পায়। (হিসেবটাকে শুধু মাত্র্য উদাহরন সরুপ দেয়া হয়েছে)। তারমানে আপনার সাইট এর একটি ব্লগ শুধু আপনার সার্ভিস এবং পন্যকেই পরোক্ষ্য ভাবে প্রচার করছে না, যারা এর পিছনে কাজ করছে তাদেরকেও একটা ভ্যালু  তৈরি করতে সহায়তা করছে, যা আপনার কোম্পানির জন্য নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর সুবিধা

আমি যেহেতু একজন এসইও প্রফেশনাল তাই এসইও নিয়ে না লিখলে লিখাটা পূর্ণ হয় না।

  • যেসব সাইট গুলো নিয়মিত আপডেট হয় গুগল সেই সাইট গুলোকে পছন্দ করে। আপনার আমার পক্ষ্যে দুই দিন পর পর সার্ভিস পেইজ, পন্যের পেইজ, হোম পেইজ অথবা এবাউট আস পেইজ এর পরিবর্তন অথবা নতুন কিছু সংযোজন সম্ভব হবে না। তাই সাইট কে নিয়মিত আপডেট রাখতে চাইলে একটি ব্লগ হতে পারে সব চাইতে ভাল সমাধান।
  • আপনি যদি আপনার পোষ্টগুলো লিখার সময় কোন কিওয়ার্ড কে লক্ষ্য করে লিখেন তাহলে সেই কিওয়ার্ড দিয়ে আপনি নতুন ভিসিটর আশা করতে পারেন। তারমানে সার্চ ইঞ্জিন থেকে নতুন নতুন ভিসিটর পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
  • যত কন্টেন্ট তত বেশি সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার হবার সম্ভাবনা। তারমানে বেশি বেশি সোস্যাল সিগনাল। বেশি বেশি এসইও এডভান্টেজ। সোসায়াল মিডিয়া শেয়ার কিভাবে এসইও রেংক এ প্রভাব বিসতার করে তার উপর আমি গত সপ্তাহে একটা আর্টিকেল লিখেছিলাম ইংরেজি তে। আপনারা চাইলে পড়ে দেখতে পারেন। পরবর্তিতে সময় করতে পারলে এই বিষয়ের উপর একটা বাংলা আর্টিকেল লিখার ইচ্ছা আছে।
  • বেশি বেশি ব্লগ পোষ্ট হলে বেশি বেশি ইন্টারনাল লিঙ্ক তৈরি করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তারমানে এখানে লিঙ্ক জুস পাস করার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। একই ভাবে বাউন্স রেট কমে। এটাও একটা এসইও এডভান্টেজ।

কোম্পানির ব্লগ চালু করার কিছু সুবিধার সাথে সাথে কিছু অসুবিধাও আছে, তবে সুবিধার মাত্রাটা অনেক ভাড়ি। তাই আপনার কোম্পানির ব্লগ যদি না থাকে তাহলে এখন থেকেই একটা প্ল্যান তৈরি করে ফেলতে পারেন। আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট এর মাধ্যমে করতে পারেন। আপনার মতামত আমাকে অনুপ্রাণিত করবে। আর আমি যদি কোন এডভান্টেজ এর কথা উল্ল্যেখ করতে ভুলে গিয়ে থাকি, তাহলে আপনারা সেটি উল্ল্যেখ করতে পারেন কমেণ্ট এর মাধ্যমে। সবাই ভাল থাকবেন।